ভোট ঘোষণার পরই রাজ্যজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান ইডির

আমুদরিয়া নিউজ : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরেই ফের রাজ্যে সক্রিয় ইডি। অবৈধ কল সেন্টার ও আর্থিক প্রতারণা মামলায় সোমবার সকাল থেকে শিলিগুড়ি, হাওড়া, বিধাননগর ও দুর্গাপুর-সহ রাজ্যের মোট দশটি স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ED)।

সোমবার ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তদন্তকারী আধিকারিকরা বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছে তল্লাশি শুরু করেন। নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার একটি বহুতল আবাসনে এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটেও অভিযান চালানো হয়। পাশাপাশি সল্টলেকের দু’টি আলাদা ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

সূত্রের খবর, অবৈধ কল সেন্টারের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ প্রতারণার অভিযোগ ঘিরেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে। তল্লাশির সময় বিভিন্ন নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য ও বৈদ্যুতিন ডেটা সংগ্রহ করে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ইতিমধ্যে কয়লা পাচার মামলা নিয়ে রাজ্যে কার্যত অতিসক্রিয় ইডি। গত মাসেই ঝাড়খণ্ড ও আসানসোলে তল্লাশি চালিয়ে প্রথমবার এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে ইডি। সেই মামলার সূত্র ধরেই পরে রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হয়। আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় একযোগে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ দল। একাধিক কয়লা ব্যবসায়ীর বাড়ি ও গুদামে তল্লাশি চালিয়ে জামুরিয়ার এক ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়।

এর আগেও এই কয়লা পাচার মামলায় ইডির ভূমিকা ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। পরে কলকাতায় এসে ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন।

 

Total Views: 0
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *