আমুদরিয়া নিউজ: শরতের আকাশে আজও বর্ষার রেশ। কাশফুলের সাদা দোল আর উৎসবের আগমনী সুরে ঋতুর পালাবদলের ইঙ্গিত মিললেও, বাংলার আকাশ থেকে বর্ষার মেঘ এখনও পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। দেশের উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যভাগ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা এখনও রয়ে গিয়েছে।
উত্তরবঙ্গের আকাশে আজ মেঘের আনাগোনা থাকবে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নেই। শিলিগুড়ি-সহ সমতলের জেলাগুলিতেও স্থানীয়ভাবে বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা থাকছে। আজ দার্জিলিং-এর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৫°সেলসিয়াস, কালিম্পং-এর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৮°সেলসিয়াস, জলপাইগুড়ির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫°সেলসিয়াস, আলিপুরদুয়ারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫°সেলসিয়াস, কোচবিহারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াস, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াস, মালদহের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গে সাম্প্রতিক বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কমেছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় আকাশ মেঘলা বা আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, সঙ্গে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ কোনও বিশেষ সতর্কতা জারি নেই। আজ কলকাতা ও হাওড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৭°সেলসিয়াস, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াস, হুগলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াস।
পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫°সেলসিয়াস, পুরুলিয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪°সেলসিয়াস, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪°সেলসিয়াস, বীরভূম ও নদীয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াস, মুর্শিদাবাদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬°সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকার পূর্বাভাস মিলেছে।
দেবীপক্ষের আবাহনে যখন শরৎ বাংলার দুয়ারে কড়া নাড়ছে, তখনও বর্ষা যেন শেষবারের মতো তার আঁচল মেলে ধরে আছে। শরতের নির্মল নীল আকাশের অপেক্ষায় বাংলা—তবে তার আগে মেঘ-বৃষ্টির এই শেষ অধ্যায়টুকুও যেন ঋতুবদলের এক কোমল সুর হয়ে থেকে যায়।