আমুদরিয়া নিউজ: যখন বিপরীত ধারার দুই প্রতিভাবান পরিচালক ও অভিনেতা একসঙ্গে কাজ করেন, তখন দর্শক আশা করেন পর্দায় তাদের নিজস্ব ঘরানার এক চমৎকার সম্মিলন ঘটবে। কিন্তু ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন আপস’ (Toxic: A Fairy Tale for Grown Ups) সিনেমায় ঘটেছে তার ঠিক উল্টোটা।
পরিচালক গীতু মোহনদাস এবং কন্নড় সুপারস্টার যশ—এই দুই ভিন্নধর্মী চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বের চিন্তাভাবনার অমিল পর্দায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। যার ফলে সিনেমাটি একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট প্রচেষ্টায় পরিণত হয়েছে।
সিনেমার সহ-লেখক হিসেবে অভিনেতা যশ আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ‘টক্সিক’ হতে যাচ্ছে ভিন্ন ধাঁচের একটি গ্যাংস্টার ড্রামা, যা মানবজীবনের এক আকর্ষণীয় দিক উন্মোচন করবে। অভিনেতার সেই ভাবনা বা আইডিয়াটি অনবদ্য হলেও, পর্দায় তার বাস্তবায়ন বা এক্সিকিউশন অত্যন্ত দুর্বল।
সিনেমাটির প্রধান কিছু দুর্বলতা নিচে তুলে ধরা হলো:
তারকা ইমেজের আধিপত্য: পরিচালক গীতু মোহনদাসের সূক্ষ্ম ও বাস্তবসম্মত চিন্তাভাবনাগুলো যশের অতি-নাটকীয় তারকা ইমেজ এবং অতিরিক্ত ভিজ্যুয়াল এক্সেসের ভিড়ে হারিয়ে গেছে।
দৃষ্টিভঙ্গির সংঘর্ষ: সিনেমা জুড়েই স্পষ্ট যে মেকার এবং লিড অ্যাক্টরের সিনেমার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ আলাদা, যা গল্প বলার গতিকে ব্যাহত করেছে।
সব মিলিয়ে, একটি দারুণ গ্যাংস্টার ড্রামা হওয়ার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, ভুল উপস্থাপনার কারণে ‘টক্সিক’ দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।