আমুদরিয়া নিউজ : সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদে ভিড়ে ঠাসা সভায় জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন দল গঠন করলেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবির। দলের পতাকার রং সাদা, সবুজ ও হলুদ মিশ্রিত। তিনি যে বেশ গুছিয়ে কাজ করতে চান, সেটা বোঝাতে আগামী বিধানসভা ভোটের জনা দশেক প্রার্থীর নামও ঘোষণা করে দিয়েছেন। নানা জেলায় তাঁর দলের জেলা সভাপতির নামও জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়বেন, একটি হল বর্তমানে যেখানকার বিধায়ক রয়েছেন, সেই ভরতপুর। দ্বিতীয়টি হল রেজিনগর। মালদহের বৈষ্ণবনগরে মুস্তারা বিবিকে প্রার্থী করেছেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরে ড, ওয়েদুল রহমানকে প্রার্থী করেছেন।
এদিন হুমায়ুন কবীর ফের জানান, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কমপক্ষে ৯০টি আসনে তাঁর দল জিততে চাইছে। তাতে যে দলই ক্ষমতাসীন হোক, জনতা উন্নয়ন পার্টির উপরে নির্ভর করতে হবে বলে তিনি হিসেব করেছেন।
এদিন জনতা উন্নয়ন পার্টির সূচনা থেকেই তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন। নাম না করে ভাইপো বলে সম্মোধন করে হুমায়ুনের হুঁশিয়ারি, তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতাচ্যূত হলে ২০০ পুলিশ নিয়ে বাড়িতে নিরাপত্তা দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
জনতা উন্নয়ন পার্টির শুরুর দিনেই সভায় বেশ উন্মাদনা দেখা গিয়েছে। কিন্তু, নতুন দল গড়ে ৬ মাসের মধ্যে ভোটে অংশ নিয়ে কতটা দাগ কাটতে পারবে জনতা উন্নয়ন পার্টি সেটাই দেখার বিষয়। যদিও কদিন আগে মুর্শিদাবাদে বাবড়ি মসজিদের শিলান্যাস করে দেশ জুড়ে শোরগোল ফেলেছেন হুমায়ুন কবীর। তাতে তাঁর দল তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কে ভাগ বসাতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। বাস্তবে কী হবে তা নিয়েই এখন রাজ্য রাজনীতিতে চলছে নানা আলোচনা।
জনতা উন্নয়ন পার্টি, হুমায়ুন কবীরের নতুন দল ঘিরে সভাস্থলে উন্মাদনা
Total Views:
0
Leave a Comment