১,০০০ কেজি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত ইরানের, বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

#Iran #MiddleEastTensions #MissileThreat #USIranConflict #IsraelIranTensions #GlobalSecurity

আমুদরিয়া নিউজ : পশ্চিম এশিয়ার চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরান জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ১,০০০ কেজি বা তার বেশি বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোতেও হামলার মাত্রা বাড়ানো হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতদিন তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন ও ছোট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক ধাপে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছিল তেহরান। তবে এখন কম সংখ্যক কিন্তু অধিক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশলের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অর্থনৈতিক চাপও বাড়াতে চাইছে ইরান। কারণ একটি প্রতিরোধ ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ কয়েক মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে, যেখানে অনেক ড্রোনের খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। একটি মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ায় সবচেয়ে বড় এবং বৈচিত্র্যময় ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারগুলির একটি রয়েছে ইরানের হাতে। দীর্ঘ পাল্লার ক্রুজ মিসাইল থেকে শুরু করে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল—বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র রয়েছে তাদের ভাণ্ডারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সত্যিই ভারী বিস্ফোরক বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র নিয়মিত ব্যবহার শুরু হয়, তবে হামলার ধ্বংসক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে নতুন সামরিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

Total Views: 0
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *