আমুদরিয়া নিউজ : দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরামের ৫৭ বছর বয়সি আরতি মহন্ত ষষ্ঠী পুজোর সামগ্রী বিক্রি করে সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন। কয়েক বছর আগে বজ্রাঘাতে আহত হওয়ায় তাঁর স্বামী কর্মক্ষমতা হারান, ফলে পরিবারের আয় প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। চিকিৎসার খরচ মেটাতে নেওয়া মাইক্রোফিন্যান্স ঋণের মাসিক কিস্তি শোধ করতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১,৫০০ টাকার সহায়তা পেয়ে কিছুটা স্বস্তি মিললেও আড়াই মাস ধরে সেই অর্থ বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে। ছেলে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে যা টাকা পাঠায়, তা দিয়ে কেবলমাত্র খাবারের ব্যবস্থা হয়। তাই আরতি দেবী নিজেই পাতা ও অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহ করে পুজোর সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করছেন।
সামান্য আয়ের আশায় প্রতিদিন বাজারে বসলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তিনি। তাঁর জীবনসংগ্রাম সমাজের প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক দুর্দশার এক মর্মস্পর্শী চিত্র ফুটে ওঠে।