আমুদরিয়া নিউজ: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লি ও মুম্বইয়ে একাধিক রাজনৈতিক নেতা, আন্দোলনকারী ও পরিচিত ব্যক্তিত্বকে আটক করার খবর সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার SIR প্রক্রিয়া প্রত্যাহারের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচির আগেই এই পদক্ষেপ করা হয়।
১০ অক্টোবর সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে বিমান অবতরণের পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পুলিশ। একই দিনে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-তে নিজের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও আটক করা হয় বলে খবর। সিজেপির আইন বিভাগের প্রধান রত্না সিং আরও তিন আইনজীবীর সঙ্গে তাঁকে আটকে রাখার অভিযোগ করেন। ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাব্য কর্ণাটককেও ১০ অক্টোবর দিল্লির ধৌলা কুয়ান এলাকা থেকে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে আটক করা হয়।
এ ছাড়া, সিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে মুম্বইয়ে ‘হাম ভারত কে লোগ’-এর সভাপতি তুষার গান্ধী ও তাঁর সহযোগীদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। দিল্লির কেরালা হাউসের কাছে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও আটক করার খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি, দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে ধর্নায় বসার পর পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ তৃণমূলের কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়েছে।
দিল্লির একাধিক এলাকায় ব্যারিকেড, যান চলাচলে বিধিনিষেধ এবং মেট্রো পরিষেবায় নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়। তবে সব ক্ষেত্রে আটকের নির্দিষ্ট আইনি কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট সরকারি তথ্য পাওয়া যায়নি।