আমুদরিয়া নিউজ: আজ ৩১শে অক্টোবর, শরৎকালের অন্তিম লগ্নে দাঁড়িয়ে হেমন্তের ছোঁয়া ও দীপাবলির প্রাক্কালে আকাশ আংশিক রোদেলা ও মেঘের লুকোচুরিতে সেজে উঠেছে। দীপাবলির এই আলোর উৎসবে প্রকৃতির আবহাওয়ায় এক স্নিগ্ধ ও কাব্যিক রূপ ফুটে উঠেছে।
পাহাড় ঘেরা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আজ মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা বেশি। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের উঁচু পাহাড়ি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে, সমতলের জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে দমকা হাওয়া বা হালকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। আজকের দার্জিলিং-এর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১১°সেলসিয়াস, কালিম্পং-এর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৬°সেলসিয়াস, জলপাইগুড়ির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২২°সেলসিয়াস, আলিপুরদুয়ারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২২°সেলসিয়াস, কোচবিহারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৩° সেলসিয়াসের ঘরে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। দিনের বেলা আংশিক রোদেলা আবহাওয়া বজায় থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা সামান্য রয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের আকাশেও মেঘ-বৃষ্টির ভ্রূকুটি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে, যা দীপাবলির কেনাকাটা ও আনন্দ উদযাপনের মাঝে কিছুটা রোমাঞ্চ ও চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। আজ কলকাতা ও হাওড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪°সেলসিয়াস, উত্তর ২৪ পরগনার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪°সেলসিয়াস, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫°সেলসিয়াস, হুগলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪°সেলসিয়াস, পুরুলিয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২০°সেলসিয়াস, বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৭°সেলসিয়াস, পশ্চিম মেদিনীপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২১°সেলসিয়াস, হুগলির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫°সেলসিয়াস, বীরভূমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪°সেলসিয়াস, নদীয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৩°সেলসিয়াস, মুর্শিদাবাদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০°সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৩°সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
দীপাবলি ও কালিপূজার ঠিক আগে হালকা বৃষ্টির রেশ আর মৃদু বাতাসের এই মিতালি উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিক—প্রকৃতির এই রূপই আজ আমাদের কাম্য।