আমুদরিয়া নিউজ : আমেরিকাভিত্তিক গবেষণা সংস্থা “সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট”(CSoH)-এর প্রকাশিত “প্রফিটিং ফ্রম হেট মিউজিক” শীর্ষক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো তথাকথিত ‘হিন্দুত্ব-পপ’ (H-Pop) গানের মাধ্যমে কেবল ঘৃণার প্রচারই নয়, বরং ইউটিউব, স্পটিফাই, মেটা এবং অ্যাপল মিউজিক-এর মতো বড় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।
সাংবাদিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই চারটি প্ল্যাটফর্মে মোট ৫২৩টি ঘৃণামূলক গান চিহ্নিত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক গানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সরাসরি হিংসা বা হত্যার উসকানি রয়েছে। ইউটিউবে ২১০টি, স্পটিফাইয়ে ১০৯টি, মেটার মিউজিক লাইব্রেরিতে ১০৩টি এবং অ্যাপল মিউজিকে ১০১টি এমন গান পাওয়া গেছে।
গবেষণায় আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযোগ জানানো হলেও ৫২৩টি গানের মধ্যে মাত্র ১৮টি সরানো হয়েছে, অর্থাৎ প্ল্যাটফর্মগুলির কনটেন্ট মডারেশন কার্যত ব্যর্থ। একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনভিত্তিক আয়ের মাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্ট থেকে বড় প্রযুক্তি সংস্থা ও বহু
