আমুদরিয়া নিউজ: শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনো শুধু তাপমাত্রা ও বৃষ্টির ধরনই বদলাচ্ছে না, ভারতের বন, জলাভূমি, নদী, কৃষিজমি ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের উপরও বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশের পরিবর্তন আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।
চলতি বছরের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমে ভারত প্রায় ১৩ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি নিয়ে বর্ষা শেষ করেছে—২০২৬-এর বর্ষা গত ১১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শুষ্কগুলির একটি। একই সময়ে এল নিনো আরও শক্তিশালী হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে এবং মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত এর প্রভাব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক পরিস্থিতিতে মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়া, জলাভূমি ও নদীতে জলের পরিমাণ কমা এবং বন ও কৃষিজমিতে চাপ বাড়তে পারে। প্রাণীদের আচরণেও পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তাই শুধু আবহাওয়ার তথ্য নয়, মাটির আর্দ্রতা, উদ্ভিদের স্বাস্থ্য, প্রাণীদের চলাচল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্রের অবস্থাও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গত মাসে প্রায় ২০০ জন পরিবেশবিজ্ঞানী দেশের বাস্তুতন্ত্রের ওপর এল নিনোর প্রভাব পর্যবেক্ষণের জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।