আমুদরিয়া নিউজ: গবেষণা বলছে, নিজের খামতি বা ভুল নিয়ে একটু আধটু কৌতুক করা বা হাসা মাঝেমধ্যে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও সবসময় তা নাও হতে পারে। ১৯৯০-এর দশকে মনোবিজ্ঞানীদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু সহপাঠীদের ট্রোল বা কৌতুক সহজে মেনে নিতে পারে না বা রেগে যায়, তারা সহজেই একা হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, যারা বিষয়টিকে হালকাভাবে নেয়, তারা সামাজিকভাবে অনেক বেশি সফল হয়।
প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো বিশ্বাস করতেন যে মানুষ যখন অন্যের চেয়ে নিজেকে সেরা মনে করে, তখনই মূলত হাসির জন্ম হয়। তবে আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, নিজের ওপর হাসতে পারার ক্ষমতার অনেক মানসিক সুবিধা রয়েছে। ২০১১ সালে ইউরোপের গবেষকরা একটি পরীক্ষা চালান, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের অজান্তেই তাদের বিকৃত ও মজার ছবি দেখানো হয়। দেখা গেছে, প্রায় ৮০% মানুষ নিজেদের সেই অদ্ভুত ছবি দেখে হেসেছিলেন বা মৃদু হেসেছিলেন।
প্লাইমাউথ ইউনিভার্সিটির সাইকোলজির লেকচারার সোনিয়া হেইন্টজ জানান, বিজ্ঞান এখন এটি নিশ্চিত করেছে যে নিজের ভুলত্রুটি নিয়ে হাসতে পারার ক্ষমতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।