আমুদরিয়া নিউজ: কয়েক মাস আগের বন্যার ক্ষত শুকোতে না শুকোতেই ফের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে নেপাল। রবিবার, ১১ অক্টোবর ভোরে গোর্খা জেলার বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের জেরে ভেসে গিয়েছে অন্তত ৩৫টি বাড়ি, একটি লোহার সেতু ও দুটি ঝুলন্ত সেতু। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বুড়ি গণ্ডকী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও। প্রাথমিকভাবে প্রাণহানির খবর না মিললেও লোকপা গ্রামের চার বাসিন্দা নিখোঁজ। পাশাপাশি, মানাসলু সংরক্ষিত এলাকার পাহাড়ি ট্রেকিং রুটে আটকে পড়েছেন অন্তত ২০০ বিদেশি পর্যটক, যাঁদের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকও রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার ভোর চারটে নাগাদ আচমকা নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। সল্লেরি, পাইয়ুকা ও জগৎ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসনের অনুমান, পাহাড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উঁচু ও নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
গত ২৬ আগস্ট ভোটে কোশী ও ত্রিশূলী নদী সংলগ্ন এলাকায় বন্যায় রাসুয়া, নুওয়াকোট, ধাদিং ও চিতওয়ান-সহ একাধিক জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই বিপর্যয়ে অন্তত ১,৪৫৫ জনের মৃত্যুর খবর এবং ৫,২৮৫ জনের নিখোঁজ থাকার তথ্য সামনে এসেছিল। গত ৫ অক্টোবর মূল অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে পুনর্বাসনে জোর দেয় নেপাল প্রশাসন। এরই মধ্যে গত ৭ অক্টোবর পশ্চিম নেপালের বাজুরা জেলায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। তবে ভূমিকম্পের সঙ্গে বর্তমান বন্যার সতর্কতার সরাসরি যোগসূত্রের কোনও প্রমাণ মেলেনি।