আমুদরিয়া নিউজ : আর জি করে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য কার ফোন এসেছিল শ্মশানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর কাছে? কে বা কারা, কতবার সেই রাতে ফোন করেছিলেন, কারও নাম করে তাড়াতাড়ি দাহের কাজ করতে বলা হয়েছিল কি না? এমনই নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল শ্মশানে গিয়ে দীর্ঘ সময় তদন্ত করেছে।
২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজি করের সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয় তরুণী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসকের দেহ। দোষী হিসেবে সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়কে নিম্ন আদালত যাবজ্জীবন জেল দিয়েছে।
কিন্তু, সিবিআই-এর প্রথম দফার চার্জশিট ও তদন্ত প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি আছে দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের সন্দেহ, ঘটনার আড়ালে অনেকে আছেন, তাঁদের সামনে আনতে হবে। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে হাইকোর্ট সিবিআই-কে বিশেষ ‘সিট’ গঠন করে ফের তদন্তে নামার নির্দেশ দিয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এদিনের অভিযান।
Leave a Comment