আমুদরিয়া নিউজ: মানুষ কীভাবে যুগের পর যুগ ধরে পৃথিবী এবং মহাবিশ্বকে কল্পনা ও পরিমাপ করেছে, সেই বিবর্তনের ইতিহাস বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরের গ্লোব মিউজিয়াম এটি পৃথিবীর একমাত্র প্রকাশ্য জাদুঘর, যা সম্পূর্ণভাবে গ্লোব বা গোলকের ইতিহাসের জন্য উৎসর্গীকৃত।
অস্ট্রিয়ান ন্যাশনাল লাইব্রেরির দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে ভিয়েনার ১৭ শতকের ঐতিহাসিক প্যালাইস মলার্ডের ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখা মেলে এই অদ্ভুত সুন্দর ও শান্ত এক জগতের।এই মিউজিয়ামে ১৮৫০ সালের আগে তৈরি হওয়া ২২০টিরও বেশি বিরল এবং প্রাচীন গ্লোব প্রদর্শিত রয়েছে। যার মধ্যে যেমন রয়েছে বিশালাকার করোনেলি গ্লোব, তেমনই রয়েছে পকেটে রাখার মতো ছোট ভাঁজ করা যায় এমন গোলক।
মিউজিয়ামের ডিরেক্টর নিকোলাউস স্কোবেসবার্গারের মতে, “এই গ্লোবগুলো আসলে আমাদের গ্রহ সম্পর্কে মানুষের কল্পনার পরিবর্তনের ইতিহাস দেখায়। পৃথিবীর আর কোথাও একসঙ্গে এত গ্লোব দেখার সুযোগ নেই।
মিউজিয়ামের ‘গোল্ডেন ক্যাবিনেট’ নামের একটি চমৎকার ঘরে রয়েছে গ্রীক পুরাণের ফ্রেস্কো চিত্র। এর সাথে রয়েছে টেলুরিয়াম (যা সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর কক্ষপথ দেখায়) এবং আর্মিলারি স্ফিয়ারের মতো প্রাচীন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি। এখানকার প্রধান আকর্ষণ ১৫০০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে একই কারিগরের তৈরি দুটি গ্লোব—যার একটি জলভাগ-স্থলভাগের পার্থিব মানচিত্র এবং অন্যটি নক্ষত্রমন্ডল ও কাল্পনিক প্রাণীদের নিয়ে তৈরি মহাজাগতিক বা সেলিস্টিয়াল মানচিত্র।
ভিয়েনার ‘গ্লোব মিউজিয়াম’ কীভাবে মানুষের বিশ্বকে চেনার গল্প বলে
Total Views:
0
Leave a Comment