আমুদরিয়া নিউজ : তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই থলপতি বিজয়ের রাজনৈতিক জীবন যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, তেমনই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কৌতূহলের শেষ নেই। বিশেষ করে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণাণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে নানা জল্পনা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর বিজয়ের জীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দেখা গিয়েছে তৃষাকে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন, যা আবার ছিল তৃষার জন্মদিন, সেই দিন অভিনেত্রীকে তিরুপতি মন্দিরে বিশেষ পুজো দিতে দেখা যায়। পরে বিজয়ের বাসভবনের সামনেও তাঁর উপস্থিতি নজরে আসে। অনেকের মতে, বিজয়ের সাফল্য ও মঙ্গল কামনাতেই সেই প্রার্থনা করেছিলেন তৃষা। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও প্রথম সারিতে বসে থাকতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেখানে বিজয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এরপর থেকেই দুই তারকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়। তবে সম্প্রতি সেই জল্পনায় অন্য মোড় আসে। সামাজিক মাধ্যমে দাবি ওঠে, বিজয় ও তৃষা নাকি একে অপরকে আনফলো করেছেন। আবার বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনের সকাল পর্যন্ত তৃষার তরফে কোনও শুভেচ্ছা বার্তা না আসায় অনুরাগীদের একাংশের মধ্যে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ আবার দাবি করতে থাকেন, স্ত্রী সঙ্গীতার সঙ্গে সম্পর্কের দূরত্ব মিটিয়ে ফের একসঙ্গে পথ চলার চেষ্টা করছেন বিজয়। যদিও এই সমস্ত দাবির পক্ষে কোনও নির্ভরযোগ্য বা সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। ঠিক এমন সময়েই সমস্ত জল্পনায় কার্যত ইতি টানেন তৃষা। বিজয়ের জন্মদিনের রাতেই তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমের পাতায় একটি বিশেষ ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, জন্মদিন উদ্যাপনের মুহূর্তে হাসিমুখে রয়েছেন বিজয় এবং তাঁর সঙ্গেই উপস্থিত তৃষা ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, “যে মানুষটি সবকিছুকে সার্থক করে তোলে, তাঁকে জন্মদিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন।”
এই একটি পোস্টই মুহূর্তের মধ্যে বদলে দেয় সমস্ত আলোচনা। সারাদিনের বিচ্ছেদ জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে বিজয়-তৃষার সম্পর্ক। যদিও তাঁদের সম্পর্কের প্রকৃতি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
তবে এটুকু নিশ্চিত, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণাণকে ঘিরে রহস্য, জল্পনা ও কৌতূহল আপাতত আরও বেড়ে গেল এই একটি জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তাকে ঘিরেই।