আমুদরিয়া নিউজ : মন্দিরের জায়গায় একটি ছোট দোকান করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এক মাছ বিক্রেতাকে। অভিযোগ, মন্দির কমিটিকে না জানিয়ে সেই দোকান বিক্রি করে গা ডাকা দিয়েছেন মাছ বিক্রেতা গণেশ হালদার। মাটিগাড়ার রানানগর এলাকার ঘটনা। বুধবার সকালে বিষয়টি নিয়ে ওই কলোনিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তুমুল ক্ষোভ দেখা দেয়। মাটিগাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন রানানগরের বাসিন্দারা।
মাটিগাড়ার রানানগর এলাকার দুর্গা মন্দির ময়দানে প্রতিদিন বিকেলে একটি ছোট্ট বাজার বসে। এলাকাবাসীদের কয়েকজন যাতে রোজগার করে খেতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে মন্দির কমিটির জমিতে ১০-১২টি দোকান বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চুক্তি ছিল যে, পুজো-পার্বণের সময় প্রয়োজনে তারা দোকান সরিয়ে নেবেন। অভিযোগ, এই বাজারেরই এক মাছ ব্যবসায়ী, যার নাম গণেশ হালদার, তিনি হঠাৎই বাজার কমিটি বা পুজো কমিটিকে না জানিয়ে দোকানটি অন্য এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন। গ্রামবাসীদের দাবি, যে জমির ওপর বাজারটি বসেছে, তার সমস্ত নথিপত্র বা কাগজপত্র রয়েছে মন্দির কমিটির নামে। যিনি জমিটি কিনেছেন, ওই জায়গাটিতে কোনো ঝামেলা হবে না। এই আশ্বাসের ভিত্তিতেই তিনি টাকা লেনদেন করেছেন।

ববিপির মাটিগাড়া মণ্ডল যুব সভাপতি বিকাশ শনি বলেন “তৃণমূল সরকার বিগত পনেরো বছরে কিছু করতে পারুক বা নাই পারুক খেলার মাঠ, মন্দিরের মাঠ আর সরকারি জমি দখল করে বেচাকেনা করতে পেরেছে
রানানগরের বাসিন্দারা সাফ জানিয়েছেন, এই জমি সম্পূর্ণভাবে মন্দির কমিটির এবং আগামী দিনে সেখানে মন্দির পুনঃনির্মাণ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই মন্দিরের জমি বা বাচ্চাদের খেলার মাঠ কাউকেই দখল বা বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। মাটিগাড়া থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
মন্দির জায়গা দিয়েছিল বসতে, দোকান বিক্রি করে উধাও মাছ বিক্রেতা
Residents protest after a temple-allotted market stall was allegedly sold without authorization.
Leave a Comment