আমুদরিয়া নিউজ :
সংবাদে প্রকাশ : ৫০ জন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড তোলেনি ৪৫টি স্কুল। যার মধ্যে ২২টি স্কুল উত্তরবঙ্গের। দার্জিলিং-১টি, জলপাইগুড়ি-৩টি, আলিপুরদুয়ার-৫টি, মালদহ- ৬টি, উত্তর দিনাজপুর-৭টি।
সংবাদ সূত্র অনুসারে, প্রথম দফায় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বিলি হওয়ার পরে ২৭ জানুয়ারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ স্কুলগুলোকে জানিয়ে দিয়েছিল, স্কুল পর্যায়ে গাফিলতি বা কোনও ভুলের কারণে কোনও নাম বাদ পড়ে থাকলে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে পোর্টালে আবেদন করতে হবে। পর্ষদ জানিয়েছে, সেই মতো ৯৫৪টি স্কুলের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। দেখা যায়, মোট ১৯৬৬ জনের নাম স্কুলের ভুলের ফলে বাদ পড়েছে। এর পরে নতুন করে আ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করা হয়। বেশির ভাগ স্কুল কার্ড সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।
এর পরে ৩১ জানুয়ারি পর্ষদ দেখে, আবেদকারী ৮৬টি স্কুল সব মিলিয়ে ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড তোলেনি। তখন আবার ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলোকে সেই অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা বা তাঁর প্রতিনিধিকে পাঠাতে বলা হয়। তার পরেও দেখা যায়, ৪৫টি স্কুল ৫০ জন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড নিতে কাউকে পাঠায়নি।
ওই ৪৬টি স্কুলের মধ্যে ২২টি উত্তরবঙ্গের স্কুল। ২২টি স্কুলে ১ জন করে ধরলেও অন্তত ২২ জন অ্যাডমিট কার্ড না থাকা এবার পরীক্ষা দিতে পারল না!!!!
এই সংবাদ নিজের পেজে পোস্ট করেছেন দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্ত। তা ট্যাগ করেছেন সদ্য নোনীত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনকেও। এর পরে বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার।
১) যখন আপনি অযোগ্য শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের নিয়োগ করেন তখন এটাই ঘটে। তারা লেখাপড়া বা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা ভাবেন না।
২)অবৈধ শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে।
৩)স্কুলের হেড, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
পর্ষদ অবশ্য স্কুলগুলোর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।
সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনি কিছু বলবেন! কমেন্ট বক্সে জানান।