৩৯ দিনের টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে ইরান–আমেরিকা–ইজরায়েল সংঘাতে যুদ্ধবিরতি। আর এই বিরতির কেন্দ্রে উঠে এসেছে পাকিস্তানের নাম। ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠককে ঘিরে বিশ্বরাজনীতিতে নতুন আলোচনা—কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একদিকে কঠোর হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে শান্তির প্রস্তাব—দুই পথেই এগিয়েছিলেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক সমর্থন কমে যাওয়া, ন্যাটোর অনীহা এবং অভ্যন্তরীণ চাপ—সব মিলিয়ে তিনি কৌশল পাল্টাতে বাধ্য হন।
ঠিক সেই সময় সুযোগটা কাজে লাগায় পাকিস্তান। সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সক্রিয় ভূমিকা এবং শাহবাজ শরিফের রাজনৈতিক সম্মতিতে শুরু হয় তৎপরতা। রাতভর আলোচনার মাধ্যমে তৈরি হয় যুদ্ধবিরতির খসড়া—যা শেষ পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়।
প্রশ্ন উঠছে—ভারত কোথায়? কেন মোদী সরকার দৃশ্যমানভাবে সামনে এল না?
বিশ্লেষকদের মতে:
- ভারত ঐতিহ্যগতভাবে প্রকাশ্য মধ্যস্থতা এড়ায়
- আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরান—তিন পক্ষের সঙ্গেই ভারসাম্য রক্ষা জরুরি
- কূটনৈতিক ঝুঁকি এড়িয়ে ‘পর্দার আড়ালের’ কৌশল বেছে নিয়েছে নয়াদিল্লি
- মূল ফোকাস ছিল জ্বালানি নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা
ফলে একদিকে পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে দৃশ্যমান সাফল্য পেয়েছে, অন্যদিকে ভারত নীরব থেকেও নিজের স্বার্থ রক্ষা করেছে—এই দ্বৈত বাস্তবতাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।