আমুদরিয়া নিউজ : ১৭ বছর পর লন্ডনের নির্বাসন জীবন শেষ করে বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছেছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। বিমানবন্দরে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। এ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল ও সমাবেশ করছেন।
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বিমানবন্দর থেকে তিনি জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) হয়ে সংবর্ধনাস্থলে যাবেন। সেখানে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ভাষণ শেষে তিনি কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন এবং পরে গুলশান–২-এর নির্ধারিত বাসভবনে পৌঁছাবেন।
তারেক জিয়ার এই প্রথম ভাষণ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল কৌতূহল। বিশেষ করে ভারত প্রসঙ্গে তাঁর অবস্থান, আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা সম্পর্কে বক্তব্য এবং জামায়াতে ইসলামী নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির ভারতবিরোধী সুর কিছুটা নরম হয়েছে এবং দলটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে—এ বিষয়টিও আলোচনায়।
শুক্রবার তারেক জিয়া জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। শনিবার তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। এরপর ধীরে ধীরে নির্বাচনী প্রচারে নামবেন বলে জানা গেছে।
তারেক জিয়ার নিরাপত্তায় বিশেষ বাহিনী গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপি বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও যুক্ত করতে আগ্রহী। তাঁর প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে তোরণ ও সাজসজ্জা করেছে দলটি।