আমুদরিয়া নিউজ: শনিবার সকালে ঈদের নামাজের পরই বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার গোপীনাথপুর গ্রামে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে গোটা গ্রামে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। শুরু হয় ভাঙচুর লুটপাঠ। ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৮ জন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনায় জড়িত দুই ঘোষ্ঠীর একপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন ইসমাইল মুন্সী (৬৫) এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কামরুল মিয়া (৪৫)। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে কামরুলের সঙ্গে ইসমাইলের পুত্র ফুয়াদের বাগ-বিতণ্ডা শুরু হয়। ক্রমে তা পরিণত হয় হাতাহাতিতে। এরপরই সংঘাত চরমে ওঠে। ধারাল অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন দুই গোষ্ঠীর লোকজন। আহত হন বেশ কয়েকজন।
শনিবার ইদের নামাজের পর ফের সংঘর্ষে জড়ায় দু’পক্ষ। সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় এলাকা। প্রায় ৮ থেকে ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, অগ্নিসংযোগও করে দেওয়া কয়েকটি বাড়িতে। চলে অবাধ লুটপাট। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তাদের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।”