আমুদরিয়া নিউজ : ফ্রিজের ঠান্ডা জল আমাদের শরীরের পাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়। কিন্তু মাটির কলসির জল প্রাকৃতিকভাবেই অ্যালকালাইন প্রকৃতির। যা শরীরে এসিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রচন্ড গরমে বাইরে থেকে ঘেমে নিয়ে বাড়িতে ফিরলেই বেশিরভাগেরই হাত চলে যায় ফ্রিজের দরজার দিকে। এক নিঃশ্বাসে এক বোতল বরফ ঠান্ডা জল না খেলে যেন তৃপ্তি হয় না। কিন্তু জানা আছে কি, এই সাময়িক আরাম আমাদের শরীরে নিয়ে আসে রোগের বাহার? তাই স্বাস্থ্য সচেতনদের মতে গরমের আরাম লুকিয়ে আছে মাটির কলসিতে। বৈজ্ঞানিক মতে, মাটির পাত্রের জল শুধু প্রাকৃতিক উপায়ে ঠান্ডা থাকে না, এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এমন কিছু গুণ যা কোন দামি পিউরিফায়ারও দিতে পারবে না।
নিয়মিত মাটির পাত্রের জল খেলে যারা পেটের অস্বস্তিতে দীর্ঘদিন ভুগছেন, তাদের জন্য এটি হবে মহৌষধ।
কারণ মাটির কলশিতে জল রাখার ফলে মাটির খনিজ গুনাগুন জলের সঙ্গে মিশে যায়। যার ফলে এটি একটি ন্যাচারাল ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। শরীরের মধ্যে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান বা টক্সিন বের করে দিতে মাটির পাত্রের জলের জুড়ি মেলা ভার। আর শরীর যখন ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে, তখন টক হয়ে ওঠে আরো উজ্জ্বল এবং সজীব। তাই এটিকে বলা যেতেই পারে ‘ন্যাচারাল ডিটক্স ড্রিংক’।
তবে মাটির কুঁজো শুধু ব্যবহার করলেই হবে না, পাশাপাশি এর সঠিক যত্নও প্রয়োজন। অন্তত সাত থেকে দশ দিন অন্তর পাত্র টিকে ভালো করে পরিষ্কার করে পুনরায় জল পাল্টে জল রাখতে হবে এবং সরাসরি রোদ লাগে এমন জায়গায় কলসি রাখা যাবেনা।