আমুদরিয়া নিউজ : ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহের ফলে দীর্ঘদিনের নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পরে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয় নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে। তার পরে বাংলাদেশে ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়। অবশেষে আজ, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ভোটগ্রহ হচ্ছে। একযোগে দুটি ভোট। একটি হল দেশের সরকার কে চালাবে তার ভোট। জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আরেকটি হল গণভোট।
সব মিলিয়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটার। পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৩৮২ এবং মহিলা ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৭২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩০ জন।
মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি। এবার ভোটকক্ষের (বুথ) সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২।
এবারের ভোট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১টি দলের জোটের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। যার মধ্যে ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি) রয়েছে। যে এনসিপি হল হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী যুবকর্মীরা তৈরি করেছেন।
এবারের ভোটে প্রধান ও প্রথম বিষয় হল, ছাপ্পা ভোট, জাল ভোট বা ভোট দিতে না পারা রুখে অবাধে ভোট দিতে পারার ব্যবস্থা করা। শেখ হাসিনার আমলে যা কি না হতো না বলে অভিযোগ।
ভোট প্রচারে যে সব বিষয়গুলি মূলত উঠে এসেছে তা হল দুর্নীতি, মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ হল বিশ্বের অষ্টম সর্বাধিক জনবহুল দেশ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশটি জাতীয় সনদ ২০২৫-এর উপর একটি গণভোট আয়োজন করছে। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের খসড়া নথি, যা ভবিষ্যতের শাসনব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করবে।
সকাল থেকে বেলা ১টা অবধি সারা দেশে গড়ে প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এবারের ভোটে মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন ভোটকর্মী রয়েছেন। গোপালগঞ্জে একটি বুথে ককটেল বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। তা ছাড়া এখনও অবধি শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে বলে সে দেশের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।
Leave a Comment