আমুদরিয়া নিউজ : ভারতের অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে বড়সড় ভূমিকা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন ‘সহযোগ’ পোর্টাল। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে এই পোর্টালের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে মোট ২,৩১২টি ব্লক নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সময়কাল ছিল অক্টোবর ২০২৪ থেকে অক্টোবর ২০২৫। হিসাব বলছে, গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৬টি করে কনটেন্ট ব্লক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঠানো হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপের কাছে। তার পরেই রয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। এছাড়াও ইউটিউব, টেলিগ্রাম-সহ মোট ১৯টি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এই তালিকায় রয়েছে।
সহযোগ পোর্টাল চালু করার মূল লক্ষ্য হল, ভুয়ো খবর, অবৈধ কনটেন্ট, প্রতারণা, সহিংসতায় উসকানি বা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক তথ্য দ্রুত সরিয়ে ফেলা। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা।
কী এই ব্লক নির্দেশ ?
ব্লক নির্দেশ হল সরকারের দেওয়া একটি আইনি আদেশ, যার মাধ্যমে কোনও
- ওয়েবসাইট
- সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
- ভিডিও, ছবি বা অ্যাকাউন্ট
সাধারণ মানুষের দেখার বা ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে দিতে বলা হয়।
কেন ব্লক নির্দেশ দেওয়া হয় ?
সরকার সাধারণত এই কারণগুলোতে ব্লক নির্দেশ দেয়—
- ভুয়ো খবর বা গুজব ছড়ানো
- জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি
- সন্ত্রাসবাদ বা সহিংসতায় উসকানি
- শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট
- প্রতারণা বা অনলাইন জালিয়াতি
কীভাবে কাজ করে?
সরকার সহযোগ পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মকে জানায়—
“এই কনটেন্টটি ব্লক করতে হবে।”
তারপর প্ল্যাটফর্মটি সেই কনটেন্ট ডিলিট বা অদৃশ্য করে দেয়।