আমুদরিয়া নিউজ : রাজ্যে মাধ্যমিক পাশ তরুণ-তরুণীদের ‘শিক্ষিত বেকার’ হিসেবে গণ্য করা এবং কর্মসংস্থানের বাস্তব চিত্র নিয়ে নতুন করে বিতর্কের মাঝে উঠে এসেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর চালু করা যুবসাথী প্রকল্প। সরকারি উদ্যোগ হলেও সাধারণ মানুষের কাছে এটি মূলত ‘বেকার ভাতা’ হিসেবেই পরিচিত। রবিবার থেকে প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাশ যুবক-যুবতীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা দিতে দেখা গেছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট আবেদন জমা পড়েছে ২৯,০০,৮৫৮টি। শুধু ওই দিনেই নতুন করে নথিভুক্ত হয়েছে ৮,০০,৪৯৪টি আবেদন। জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ (৩,২৩,২২৪)। দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২,৮৬,৮২২) এবং তৃতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা (১,৯৩,২৯৫)। এছাড়া বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান ও হাওড়াতেও উল্লেখযোগ্য আবেদন জমা পড়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যেও সাড়া মিলেছে— কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দার্জিলিংয়ে উল্লেখযোগ্য আবেদন এসেছে। সবচেয়ে কম আবেদন কালিম্পং থেকে। কলকাতায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ৭০,৭৭৮। সরকারি সূত্রে দাবি, যুবসমাজকে ডিজিটাল পরিষেবা ও আর্থিক সহায়তার আওতায় আনতেই এই প্রকল্প চালু হয়েছে। ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের মাধ্যমে সরাসরি আবেদন গ্রহণের ফলে অংশগ্রহণ বেড়েছে বলেও জানানো হয়েছে।