আমুদরিয়া নিউজ : হ্যাঁ, এমন একটা অফিস কোথাও খুঁজে পেলাম না। এটা বলা যাবে না। কারণ, স্পেনের বার্সেলোনা শহরের একটি অ্যাডাল্ট সিনেমার প্রচারে যুক্ত সংস্থার অফিসে এমন রুম আছে। সংস্থার মালিকপক্ষের এক প্রতিনিধি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, কোভিডের সময়ে ওই রুম তৈরি করা হয়। কারণ, হিসেবে তিনি দাবি করেন, অফিসে কাজের ফাঁকে শুধু সিগারেট, চা, কফি খেলেই স্ট্রেস কমে না। অনেক অবজার্ভেশনের পরে সংস্থার কর্ণধার সিদ্ধান্ত নেন, কর্মীদের মাস্টারবেশন মানে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে স্ট্রেস কমানোর উপায় দিতে হবে।
সেই মতো ২০২১ সালে ওই রুমটি তৈরি হয়। যেখানে কর্মীরা ৩০ মিনিটের বিরতি নিয়ে ঢুকে স্ট্রেস রিলিজ করতে পারেন।
যে সংস্থাটি এটি চালু করেছে, তারা মূলত সেক্স ফিল্মের প্রমোশন করে থাকে। সংস্থার কর্ণধার এরিকা লাস্ট জানান, তিনি লকডাউনের সময়ে খেয়াল করেছিলেন কর্মীদের উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। কনসেনট্রেশন থাকছে না কাজে। এর পরে তিনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে ওই মাস্টারবেসন রুম তৈরি করেন। তিনি দাবি করেছেন, তার পরে কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বেড়ে গিয়েছে।
এটা নিয়ে কিন্তু দুনিয়ার নানা মহলে বিতর্ক দানা বাঁধছে। রক্ষণশীলরা অনেকে মনে করেন, এ ধরনের রুম একেবারেই অনৈতিক। আবার উদারপন্থীদের ধারনা, মাস্টারবেশন নিয়ে যে রাখঢাক রয়েছে সেটা দূর করতে এই রুমের একটা ভূমিকা রয়েছে।
প্রশ্ন হল, অফিস টাইমে মাস্টারবেশন কি আদৌ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশের মান উন্নয়ন করতে পারে! আগামী দিনে এটা নিয়েও নিশ্চয়ই গবেষণা হবে। সেই ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।