আমুদরিয়া নিউজ: কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে নানা প্রচার চালিয়ে দাবি করা হয় দেশে বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু চাকরির বাজারের করুণ দশা আর বাস্তব চিত্র গত ৪ দশকেও বদলাল না। বর্তমানে আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা থেকে দাবি করা হয়েছে দেশে চল্লিশ শতাংশ সদ্য স্নাতক তরুণ তরুণী বেকার। যথেষ্ট শিক্ষিত হয়েও তারা চাকরি পাচ্ছে না। গত কয়েক দশক ধরে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। শ্রেষ্ঠ শিক্ষিত হয়েও ১৯৮৩ সালে দেশে মোর শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ছিল ৩৫ শতাংশ। আজ ৪ দশক পর দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা এক চুলও কমেনি। বরং বের হয়েছে ৪০ শতাংশ। যারা কোনক্রমে চাকরি জুটিয়েছেন তাদের কাছেও চাকরির স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে পারিবারিক অর্থ সংকটি শিক্ষা ও পরবর্তীতে কর্মসংস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নির্ধারণ করছে। আর্থিক সংকটের কারণে অনেকেই ইচ্ছে থাকলেও পড়াশুনো মাঝপথে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ শতাংশ। করোনা মহামারী জেরে পরবর্তী সময় দেশে কৃষিক্ষেত্রে কিছুটা কর্মসংস্থান বেড়েছে। কিন্তু চাকরির বাজারের করুণ দশা আজও বহাল রয়েছে।