আমুদরিয়া নিউজ : চিন তাইওয়ানের জলসীমায় বিমান, নৌ ও রকেট বাহিনী মোতায়েন করেছে। চিনের সামরিক বাহিনী বলেছে, এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধের প্রস্তুতি পরীক্ষা করা এবং ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ ও ‘বহিরাগত হস্তক্ষেপকারী’ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে একটি হুঁশিয়ারি দেওয়া। সম্প্রতি তাইওয়ান ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১১.১ বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তি হয়েছে। এই ঘটনায় বেজিং ক্ষুব্ধ। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির একটি বিবৃতিও উত্তেজনার কারণ হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চিন যদি স্বশাসিত দ্বীপটি আক্রমণ করে, তবে জাপানি সামরিক বাহিনী এতে জড়িত হতে পারে। বেজিং তাইওয়ানকে তার ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলেছে।